আমাদের সম্পর্কে

জিকরা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ শিক্ষা, দাওয়াহ ও সর্বজনীন মানবকল্যাণে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফাউন্ডেশনটি সমাজের কল্যাণ, মানবসেবার প্রসার এবং দীন ইসলামের খেদমতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ মহানবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে দরিদ্র-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও দাওয়াহ কার্যক্রম পরিচালনা, সমাজ-সংস্কার, বিশুদ্ধ ইসলামী ইলমের প্রচার ও প্রসার এবং একটি আদর্শ কল্যাণভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা।

কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন ও সমাজ বিনির্মাণ করা এবং সালাফে সালিহীনের পথ অনুসরণ করে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা জিকরা ফাউন্ডেশনের অন্যতম নীতি ও অঙ্গীকার।

নীতি ও আদর্শ

লক্ষ্য-উদ্দেশ্য

আয়-ব্যয়ের নীতিমালা

সরাসরি ব্যবস্থাপনা

কোনো প্রকল্প সঠিকভাবে ও সফলতার সাথে বাস্তবায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় অপরিহার্য। প্রকল্প পরিচালনার অংশ হিসেবে স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়। এর অন্তর্ভুক্ত—

  • পরিবহন ব্যয়: প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট মালামাল পরিবহন, কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের যাতায়াত খরচ।

  • খাবার: প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবারের খরচ।

  • শ্রমিক বিল: প্রয়োজন অনুসারে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক প্রদান।

  • প্যাকেজিং সামগ্রী: উপকরণ সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য প্যাকেজিংয়ের খরচ।

  • বিবিধ: প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অন্যান্য খরচ।

🔎 আমরা নিশ্চিত করি, প্রতিটি অনুদান যেন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয় এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে যায়। স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতার সাথে প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।


পরোক্ষ ব্যবস্থাপনা

প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কিছু প্রশাসনিক ব্যয় অপরিহার্য। এ ব্যয় সর্বোচ্চ ৭%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এর অন্তর্ভুক্ত—

  • কর্মীদের বেতন: প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনা কর্মীদের বেতন।

  • প্রাত্যহিক দাফতরিক খরচ: অফিসের বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেট, টেলিফোন বিল ইত্যাদি।

  • সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র: কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফার্নিচার, স্টেশনারি ইত্যাদি।

  • আইনি ও হিসাবরক্ষণ খরচ: অডিট ফি, আইনজীবী ফি, লিগ্যাল পরামর্শ ও ট্যাক্স সংক্রান্ত ব্যয়।

  • পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয়: অফিসিয়াল কাজের জন্য ম্যানেজমেন্ট টিমের যাতায়াত ও পরিবহন খরচ।

  • ফান্ডরেইজিং ও মার্কেটিং খরচ: অনুদান সংগ্রহ ও দাতাদের সাথে যোগাযোগের জন্য প্রচার, ওয়েবসাইট রক্ষণাবেক্ষণ, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন ইত্যাদি।

  • প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন: কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজনের ব্যয়।

  • নিরাপত্তা খরচ: অফিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নি-নিরাপত্তা খরচ।

  • আইটি ও সফটওয়্যার খরচ: অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার, ক্লাউড সার্ভিস, ইমেইল সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি।


কেন দাফতরিক ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ?

✅ একটি সেবামূলক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা ও দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর রাখতে এটি অপরিহার্য।
✅ অনুদানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সঠিক হিসাব সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করে।
✅ দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিত করতে এবং ভালো ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয়।
✅ দাতাদের আস্থা অর্জনের জন্য সংস্থার পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে সহায়ক।